শিরোনাম:
ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫

Demo Newspaper
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০১৫
প্রথম পাতা » পরবাস » ‘সময় হারাইয়া বাঙালি সব বোঝে…’
প্রথম পাতা » পরবাস » ‘সময় হারাইয়া বাঙালি সব বোঝে…’
৩ বার পঠিত
শনিবার, ৮ আগস্ট ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

‘সময় হারাইয়া বাঙালি সব বোঝে…’

---ভাতের মাড়কে আমাদের অঞ্চলে অর্থাৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফেন বলা হয়। আমি জানি না অন্যান্য অঞ্চলে এটিকে আদৌ ফেন বলে কি না। নাকি অন্য কোনো নামে অভিহিত করা হয়। তো হঠাৎ এই ফেন প্রসঙ্গের অবতারণা কেন করলাম? করলাম এ জন্য যে এই ফেনের নামে আমাদের অঞ্চলে একটি কচু গাছের নাম আছে। সেটিকে বলা হয় ফেন কচু। অন্যান্য অঞ্চলে এটির নাম সম্ভবত বিষ কচু। যা হোক, দুই প্রকারের কচুর মধ্যে একটি হচ্ছে মান কচু আর অন্যটি ফেন কচু। মান কচু আবার দুই প্রকারের হয়। যার একটিকে বলে সুরমাইয়া কচু, অন্যটি নারকেলি কচু (আমি শতভাগ নিশ্চিত নই)। এসব কচু চাষাবাদ করে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয়। আর ফেন কচু সম্পূর্ণ অযত্নে অবহেলায় গ্রামের বাড়ির অন্ধকার ঝোপ ঝাড়ের আঙিনায় ও রান্নাঘরের পেছনে হৃষ্টপুষ্ট আকার ধারণ করে বিশাল পত্রপল্লবে শোভিত হয়ে নিজের অপাঙ্‌ক্তেয় অবস্থা ও অবস্থানের জানান দিতে থাকে বছর জুড়ে। সাধারণত গেরস্ত ঘরের নারীরা ভাতের মাড় গালার পরে সরাসরি সেই মাড় কচুর ওপর চালান করে দেয় বিধায় এর নাম ফেন কচু হয়েছে এমন কথাও শুনেছি। গ্রামগঞ্জের কেউ কখনো ভুল করেও কিন্তু এই ফেন কচু তাদের রান্নার ডেকচিতে তোলে না—তীব্র চুলকানির ভয়ে। অন্তত আমাদের এলাকায় কখনো প্রত্যক্ষ করিনি। আমরা ছোটবেলায় ফেন কচুর ডাটসহ পাতাকে ছাতার মতো ব্যবহার করতাম। এ ছাড়া আর তেমন ব্যবহার ছিল না এই গাছটির।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)