শিরোনাম:
ঢাকা, মার্চ ২৬, ২০১৯, ১১ চৈত্র ১৪২৫

Demo Newspaper
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৫
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ | সর্বশেষ সংবাদ » এসডিজি অর্জনে অর্থায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি
প্রথম পাতা » এক্সক্লুসিভ | সর্বশেষ সংবাদ » এসডিজি অর্জনে অর্থায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি
৩১ বার পঠিত
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

এসডিজি অর্জনে অর্থায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: সিপিডি

---টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে অর্থায়নই বাংলাদেশের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। দাতাদের কাছ থেকে আলাদা কোনো প্রতিশ্রুতি না থাকায় অভ্যন্তরীণ খাত থেকেই অর্থ সংগ্রহে বেশি জোর দিতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি উৎস থেকে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, টাকা পাচার বন্ধ করা, বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা; পাইপলাইনে থাকা বিদেশি সহায়তা ব্যবহার করে এসডিজি বাস্তবায়নে টাকার জোগান দেওয়া সম্ভব হবে।
আজ শনিবার এসডিজি বাস্তবায়ন নিয়ে এক সংলাপের আয়োজন করে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। সিপিডির বিশেষ ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে এ কথা বলা হয়েছে। রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টার এ সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
এ ছাড়া এ উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি অংশীদারত্ব নিশ্চিত করতে শিগগিরই নাগরিক ফোরাম গঠন করবে সিপিডি। এসডিজি বাস্তবায়নে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর জোর দিয়েছে সিপিডি।
সংলাপে সভাপতিত্বকারী বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের চেয়ারপারসন ফজলে হাসান আবেদ বলেন, দারিদ্র্য বিমোচন সহজ কাজ নয়, তাই একে হালকাভাবে দেখলে হবে না। তিনি এসডিজি সংক্রান্ত বিষয়গুলো মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেন। তাঁর মতে, এতে শিক্ষার্থীরা এসডিজি সম্পর্কে জানতে পারবে। এক ধরনের পর্যবেক্ষণও তৈরি হবে।অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, সপ্তম পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনায় এসডিজির অনেক বিষয় আসেনি। এতে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। এসডিজি লক্ষ্য অর্জনের জন্য আমাদের কয়েকটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারব। পরবর্তী এসডিজিতে বাকি ইস্যুগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এসডিজি বাস্তবায়নে সম্পদ সংগ্রহের উপায়ও বলেছে সিপিডি। সিপিডি বলছে, বর্তমানে রাজস্বের পরিমাণ মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১২ দশমিক ১ শতাংশ। একে ১৮ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ২২ দশমিক ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৮-২৯ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। এ ছাড়া প্রতি বছর গড়ে জিডিপির ১ দশমিক ২ শতাংশ টাকা পাচার হয়, যা বন্ধ করার পরামর্শ দেয় সিপিডি। পাইপলাইনে পড়ে থাকা ১৫-২০ বিলিয়ন ডলারের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। আর বিদেশি বিনিয়োগ হতে হবে জিডিপির ৩-৪ শতাংশ, বর্তমানে রয়েছে দশমিক ৯ শতাংশ।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)