শিরোনাম:
ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫

Demo Newspaper
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫
প্রথম পাতা » স্বদেশ » মালবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় চলাচল বন্ধ সাত ঘণ্টা
প্রথম পাতা » স্বদেশ » মালবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় চলাচল বন্ধ সাত ঘণ্টা
২ বার পঠিত
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

মালবাহী ট্রেন দুর্ঘটনায় চলাচল বন্ধ সাত ঘণ্টা

---ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মালবাহী ট্রেনের ইঞ্জিন ও একটি বগি লাইনচ্যুত হলে ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম পথে সাত ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। উপজেলার যাত্রাপুর এলাকায় মালবাহী ট্রেনটি গতকাল রোববার দুর্ঘটনায় পড়ে।
এ ঘটনায় চালক রফিকুল ইসলাম (৪০) গুরুতর আহত হলে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলার মুকুন্দপুর ও আজমপুর রেলস্টেশন, আখাউড়া রেলওয়ে জংশন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন ও ভৈরব রেলস্টেশনে নয়টি ট্রেন আটকে পড়ে। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে ঢাকামুখী (আপ লাইনে) রেল চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রেলওয়ের প্রকৌশলী আরমান হোসেন জানান, ম্যাক্স গ্রুপ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুই মাস ধরে ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের পুরোনো রেললাইন বদলে নতুন লাইন নির্মাণের কাজ করছে। প্রতিদিন সকাল ৯টা পর্যন্ত এ কাজ করা হয়। গতকাল সকাল ৯টার পরও যাত্রাপুর এলাকায় লাল নিশান টানিয়ে ম্যাক্স গ্রুপের ১৫০ নির্মাণশ্রমিক কাজ করছিলেন। বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রামগামী মালবাহী ট্রেনটি নির্মাণাধীন রেললাইনে চলে যায়। এ সময় ট্রেনের ইঞ্জিন ও একটি বগি লাইনচ্যুত হয় ও ট্রেনের চালক মাথায় আঘাত পান।
আখাউড়া রেলস্টেশনের জ্যেষ্ঠ উপসহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) এনামুল হক সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় মুঠোফোনে বলেন, খবর পেয়ে উদ্ধারকারী একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে শুধু আপ লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ট্রেনের চালক রফিকুল ইসলাম বলেন, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সবুজসংকেত পেয়ে আশুগঞ্জ স্টেশন পার হওয়ার পর পরই লাল নিশানা দেখা যায়। কিন্তু ততক্ষণে ট্রেনটি ওই লাল নিশানার অনেক কাছে চলে যায়। লাল নিশানার পরই রেললাইন এলোমেলো ছিল। যে কারণে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়। এ সময় সেখানে কর্মরত ম্যাক্স গ্রুপের শ্রমিকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন।
আশুগঞ্জ রেলস্টেশনের মাস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকেরা কাজ শেষ করে স্টেশন ও সংকেত (সিগনাল) বিভাগকে জানান। সে অনুযায়ী মালবাহী ট্রেনকে সবুজসংকেত দেওয়া হয়।
ম্যাক্স গ্রুপের প্রকল্প ব্যবস্থাপক গোলাম কিবরিয়া বলেন, দুই মাস ধরে প্রতিদিন ট্রেনের অফ টাইমে (সকাল ছয়টা থেকে নয়টা পর্যন্ত) ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথের পুরোনো রেললাইনের স্থলে নতুন লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। গতকাল রোববার নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়ে লাল নিশানা টানিয়ে কাজ করা হচ্ছিল। কিন্তু চালক তা খেয়াল না করায় দুর্ঘটনা ঘটে। তবে চালককে কেউ ঢিল ছোড়েননি।
আখাউড়া রেলওয়ের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন পরিদর্শক মাহবুবুর রহমানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।



পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)