শিরোনাম:
ঢাকা, ফেব্রুয়ারী ২২, ২০১৯, ১০ ফাল্গুন ১৪২৫

Demo Newspaper
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০১৫
প্রথম পাতা » খুলনা বিভাগ | সর্বশেষ সংবাদ » ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দস্যু নিহত
প্রথম পাতা » খুলনা বিভাগ | সর্বশেষ সংবাদ » ১২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দস্যু নিহত
১ বার পঠিত
সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০১৫
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

১২টি আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি উদ্ধার সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দস্যু নিহত

---সুন্দরবনে র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে খলিলুর রহমান (৩২) নামে এক দস্যু নিহত হয়েছেন। র‍্যাবের দাবি, আজ সোমবার ভোরে সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের আওতাধীন বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলার দরজারখাল এলাকায় প্রায় আধাঘণ্টা ধরে ওই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে জলদস্যু মনির বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড খলিলুর রহমান নিহত হন। র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থল তল্লাশি করে ১২টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, শতাধিক রাউন্ড গুলি ও ছয়টি ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে। নিহত খলিলুর রহমানের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটায়।

র‍্যাব বরিশাল ৮-এর অধিনায়ক কর্নেল ফরিদুল আলম জানান, একদল জলদস্যু সুন্দরবনে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে- এমন খবর পেয়ে রবিবার রাতে র‍্যাব সদস্যরা সুন্দরবনে অভিযান চালায়। আজ সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে র‍্যাব সদস্যরা দরজারখাল এলাকায় পৌঁছালে বনের ভেতর থেকে র‍্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। এ সময় র‍্যাব সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। প্রায় আধাঘণ্টা ধরে বন্দুকযুদ্ধের একপর্যায়ে দস্যুরা পিছু হটলে বনে তল্লাশি চালিয়ে জলদস্যু খলিলুর রহমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় জেলেরা নিহত খলিলুর রহমানকে সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যু মনির বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড বলে শনাক্ত করে।

কর্নেল ফরিদুল আলম আরো জানান, জলদস্যু মনির বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে জেলে-বাওয়ালিদের নৌকা ও ট্রলারে ডাকাতি এবং অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে আসছেন। দস্যুদের অত্যাচারে জেলে-বাওয়ালিরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। মনির বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে র‍্যাবের ওই কর্মকর্তা জানান।

উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চারটি একনলা বিদেশি বন্দুক, তিনটি কাটা রাইফেল, একটি এয়ারগান, তিনটি দেশি তৈরি পাইপগান এবং একটি দোনলা বন্দুক। এ সময় ছয়টি ধারালো অস্ত্র ও শতাধিক রাউন্ড গুলিও উদ্ধার করা হয়। এসব অস্ত্র ও গুলিসহ জলদস্যুর লাশ শরণখোলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে বলে র‍্যাব জানায়।

শরণখোলা থানার ওসি মো. রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সুন্দরবনে রওনা হয়ে গেছে। এদিকে, র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জলদস্যু খলিলুর রহমানের মৃত্যুর খবরে সুন্দরবন ও সাগরে মাছ ধরতে থাকা জেলেরা উল্লাস করছে বলে খবর পাওয়া গেছে।



আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)